“না, কোনো প্রয়োজন নেই এই মেয়ে কে জন্ম দেওয়ার।”
হ্যাঁ ঠিক বলেছিস বাবা, যখন জানতেই পেরেছি বৌমার গর্ভের সন্তান মেয়ে। তখন যা করার এখনই করে ফেলা দরকার!”
হ্যাঁ মা, ডাক্তারের সাথে আমি কথা বলে নেবো। যাতে খুব তাড়াতাড়ি অ্যাবোরসন করে নেওয়া যায়।
“হ্যাঁ, সেই ভালো। তাই কর বাবা।”
আর বৌমা তোমাকেও বলি। তা আমার বংশের প্রদীপের জন্য একটা ছেলে চেয়েছিলাম তাও দিতে পারলে না ! তোমার সে ক্ষমতাও হলো না।”
এতক্ষণ চুপ করে ছিলো তিস্তা, আর নিজের রাগকে সামলে রাখতে পারলো না।
সোফা থেকে উঠে শাশুড়ীর উদ্দেশ্যে বললো -“সেটা আপনার ছেলেকে জিজ্ঞাসা করুন মা। ও ‘X’ এর জায়গায় ‘Y’ দিতে পারলো না কেন? অকর্মণ্যতা কার? কে আসল কারণ”
তাদের কিছু বলার আগেই তিস্তা বেড়িয়ে এলো বাড়ি থেকে। তাঁদের মতো অজ্ঞ মানুষকে আজ যোগ্য জবাব দিতে পেরেছে সে।
*************
ছয় মাস পরে..….....
হাসপাতালের বেডে শুয়ে আছে তিস্তা। একজন নার্স সদ্য জন্ম দেওয়া তার ফুটফুটে সন্তানকে পাশে শুইয়ে দিয়ে গেলেন।
তিস্তার চোখে জল চলে এলো। আর একটু ভুলের জন্য এরকম একটা নিস্পাপ শিশুকে চিরদিনের জন্য শেষ করে দিত। সেদিন সঠিক সময়ে যদি ঠিক সিদ্ধান্ত না নিত তাহলে আজ মিলির জন্ম দিতে পারতো না।
না, আর নয়। সব শেষ করে দিয়ে আগেই চলে এসেছে তিস্তা। এখন তার একমাত্র স্বপ্ন তার মিলিকে অনেক বড়ো করতে হবে। দেখাতে হবে মায়েরা সব পারে৷
*************
এই ভাবে অসংখ্য মিলিকে বাঁচানোর দায়িত্ব শুধু তিস্তার নয়, আমাদের সকলের।
মায়ের ভালোবাসা কোনোদিন মিথ্যে হয় না, হয় না কোনো ভেদাভেদ।
সমাজের কিছু নীচ, বর্বর মানুষের ভুল চিন্তা ভাবনার জন্য অনেক মিলি অচিরেই পৃথিবীর আলো দেখার আগেই শেষ হয়ে যাচ্ছে।
পুরুষ এবং নারী দুজনেই একে অপরের সম্পূরক। পুরুষ সৃষ্টির জন্যও নারীকেই প্রয়োজন, সেটা ভুললে চলবে না। তারা একাধারে যেমন স্ত্রী, কন্যা আবার আমাদের মা।
আন্তর্জাতিক মাতৃ দিবসে সেই সব মায়েদের জানাই প্রণাম, যাঁদের জন্য আমরা পৃথিবীর আলো দেখতে পেরেছি।
হ্যাঁ ঠিক বলেছিস বাবা, যখন জানতেই পেরেছি বৌমার গর্ভের সন্তান মেয়ে। তখন যা করার এখনই করে ফেলা দরকার!”
হ্যাঁ মা, ডাক্তারের সাথে আমি কথা বলে নেবো। যাতে খুব তাড়াতাড়ি অ্যাবোরসন করে নেওয়া যায়।
“হ্যাঁ, সেই ভালো। তাই কর বাবা।”
আর বৌমা তোমাকেও বলি। তা আমার বংশের প্রদীপের জন্য একটা ছেলে চেয়েছিলাম তাও দিতে পারলে না ! তোমার সে ক্ষমতাও হলো না।”
এতক্ষণ চুপ করে ছিলো তিস্তা, আর নিজের রাগকে সামলে রাখতে পারলো না।
সোফা থেকে উঠে শাশুড়ীর উদ্দেশ্যে বললো -“সেটা আপনার ছেলেকে জিজ্ঞাসা করুন মা। ও ‘X’ এর জায়গায় ‘Y’ দিতে পারলো না কেন? অকর্মণ্যতা কার? কে আসল কারণ”
তাদের কিছু বলার আগেই তিস্তা বেড়িয়ে এলো বাড়ি থেকে। তাঁদের মতো অজ্ঞ মানুষকে আজ যোগ্য জবাব দিতে পেরেছে সে।
*************
ছয় মাস পরে..….....
হাসপাতালের বেডে শুয়ে আছে তিস্তা। একজন নার্স সদ্য জন্ম দেওয়া তার ফুটফুটে সন্তানকে পাশে শুইয়ে দিয়ে গেলেন।
তিস্তার চোখে জল চলে এলো। আর একটু ভুলের জন্য এরকম একটা নিস্পাপ শিশুকে চিরদিনের জন্য শেষ করে দিত। সেদিন সঠিক সময়ে যদি ঠিক সিদ্ধান্ত না নিত তাহলে আজ মিলির জন্ম দিতে পারতো না।
না, আর নয়। সব শেষ করে দিয়ে আগেই চলে এসেছে তিস্তা। এখন তার একমাত্র স্বপ্ন তার মিলিকে অনেক বড়ো করতে হবে। দেখাতে হবে মায়েরা সব পারে৷
*************
এই ভাবে অসংখ্য মিলিকে বাঁচানোর দায়িত্ব শুধু তিস্তার নয়, আমাদের সকলের।
মায়ের ভালোবাসা কোনোদিন মিথ্যে হয় না, হয় না কোনো ভেদাভেদ।
সমাজের কিছু নীচ, বর্বর মানুষের ভুল চিন্তা ভাবনার জন্য অনেক মিলি অচিরেই পৃথিবীর আলো দেখার আগেই শেষ হয়ে যাচ্ছে।
পুরুষ এবং নারী দুজনেই একে অপরের সম্পূরক। পুরুষ সৃষ্টির জন্যও নারীকেই প্রয়োজন, সেটা ভুললে চলবে না। তারা একাধারে যেমন স্ত্রী, কন্যা আবার আমাদের মা।
আন্তর্জাতিক মাতৃ দিবসে সেই সব মায়েদের জানাই প্রণাম, যাঁদের জন্য আমরা পৃথিবীর আলো দেখতে পেরেছি।
শুভ আন্তর্জাতিক মাতৃ দিবস

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন